অনেকটা রাস্তা পেরিয়ে এসে যেটুকু দেখা যায় বা দেখা গেছে সেগুলোকে বন্দী করার জন্য ডাইরি যেমন আছে ঠিক তেমনি মনের পাতাগুলোও। সেইসব মনের অনুভূতি মরতে না দিয়ে প্রকাশ করার ইচ্ছা।। এটুকুই কারণ এই জন্মের... আরও অনেকটা পথ হয়তো বাকি। সেই পথটুকু চলতে চলতে কিছু অনুভূতি ছড়িয়ে যাওয়া এলোমেলো...
Tuesday, 24 July 2012
Wednesday, 23 May 2012
বর্ণান্ধ...
ভালবাসা একটা অদ্ভুত রঙ্গিন বইয়ের নাম।
রঙটা আমি চোখে দেখতে পাই না ঠিক। প্রায় বর্ণান্ধ চোখে
চারপাশের সাদা সাদা বাড়ি আর তাদের আরও সাদা সিঁড়িগুলোকে
দেখি।
কালো-সাদা মিলিয়ে সিঁড়িগুলো বড্ড উঁচু। আমি চড়তে ভয় পাই।
কালকে আমি ফুটপাথে মৃত্যু দেখেছি।সিগারেটের মৃত্যু।
প্রায়ই মরে। ওদের সয়ে গেছে বোধহয়।
প্রতিদিন,আমি রাস্তার বাস গুনি।এক-দুই-তিন।
বাস গোনার ফাঁকে তুই দুটো বাস এর মাঝে পড়ে যাস হঠাৎ।
ব্যস্ততা আমাকে তাড়া করতে ভয় পায়।খুবই লাজুক।
মুখোমুখি পড়ে গেলে আমরা দেঁতো হাসি হাসি। এড়িয়ে যাই
পরস্পরকে।
নিজের দৃষ্টি লুকোতে পাশের বাদাম খাওয়া লোকটার দিকে নজর দিই
খানিক।
সেও বড্ড সাদা।
আচ্ছা,মনে মনে তোকে প্রশ্ন করব?
তুই এতো রঙ্গিন হোস কি করে???
Friday, 27 April 2012
খোঁজ ...
বিপ্লবে ছিলাম নাহ।
দূর থেকে দেখেছি বিদ্রোহীদের।
অদৃশ্য আড়াল
আমাদের লজ্জিত মুখ ঢাকে।
সময় বদলায়।
আমরাও মিছিল করি আজ।
মুখোশরা দখল করে
মিছিলের মুখ।
শুধু
পদাতিক খুঁজে ফিরি আমি।
দূর থেকে দেখেছি বিদ্রোহীদের।
অদৃশ্য আড়াল
আমাদের লজ্জিত মুখ ঢাকে।
সময় বদলায়।
আমরাও মিছিল করি আজ।
মুখোশরা দখল করে
মিছিলের মুখ।
শুধু
পদাতিক খুঁজে ফিরি আমি।
রং...
ছেলেটা একটা ঘুড়ির পিছনে ছুটছিল। রঙিন নয়,সাদা ঘুড়ি। বিশ্বকর্মা পুজার সময় নয় এখন। মেঘ ছুঁয়ে তবু কিছু ঘুড়ি ছিল আকাশে।
হাজার ভিড়ের মাঝে আঁকাবাঁকা রাস্তায় মানুষের ছায়ারা ওকে দেখে বিরক্ত হচ্ছিল খুব।মুখ গোমড়া করেছিল রাস্তাটা।
কিছু উৎসাহী চোখ আর আগ্রহী মুখ অনুসরণ করছিল ওকে। সব্বাইকে পাশ কাটিয়ে যাবার সময়
ওর ঠিক মাথার উপর চলে আসে ঘুড়ির সুতো। সেটা ছুঁতেই
ঘুড়িটা বিকেলবেলার রোদ ছোঁয়।
রঙিন হয়ে যায়।
Saturday, 18 February 2012
Wednesday, 11 January 2012
Friday, 6 January 2012
Subscribe to:
Posts (Atom)




